প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। বছরে বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স আসে, কিন্তু খরচ এখনও অনেক বেশি। গ্লোবাল গড় খরচের তুলনায় বাংলাদেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর ব্যয় বেশি থাকে। অনেক প্রবাসী তাই Hundi বা অনানুষ্ঠানিক চ্যানেল ব্যবহার করেন। খরচ কমানো সম্ভব, কিন্তু তার জন্য কাঠামোগত পরিবর্তন প্রয়োজন।
প্রথম উপায় হলো Interoperable Instant Payment Corridor তৈরি করা। সিঙ্গাপুর-থাইল্যান্ডের PayNow-PromptPay বা ভারতের UPI-এর মতো লিংক তৈরি করা গেলে খরচ ১ শতাংশের নিচে নামতে পারে। Policy Research Institute-এর বিশ্লেষণ অনুসারে এমন করিডোর চালু হলে বাংলাদেশ বছরে কয়েকশ মিলিয়ন ডলার সাশ্রয় করতে পারে। Bank-to-Bank, Wallet-to-Wallet এবং Cross-border Digital Payment একসঙ্গে কাজ করলে মধ্যস্বত্বভোগীর সংখ্যা কমে।
দ্বিতীয় উপায় হলো প্রতিযোগিতা বাড়ানো। Money Transfer Operator, ব্যাংক এবং FinTech-এর মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতা থাকলে ফি ও এক্সচেঞ্জ রেটের মার্জিন কমে। Transparent Pricing এবং Real-time Comparison টুল ব্যবহারকারীদের সস্তা অপশন বেছে নিতে সাহায্য করে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ২.৫ শতাংশ নগদ প্রণোদনা আনুষ্ঠানিক চ্যানেলকে আকর্ষণীয় করেছে, কিন্তু এটি খরচ কমানোর বিকল্প নয়—এটি ক্ষতিপূরণ।
তৃতীয় উপায় হলো Digital Channel-এর প্রসার। MFS, Agent Banking এবং Online Platform-এর মাধ্যমে সরাসরি ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো গেলে Cash Pickup-এর খরচ বাদ পড়ে। Bangladesh Bank Cross-border Digital Payment Framework চালু করেছে, যাতে Authorized Dealer-রা Foreign Payment Provider-এর সঙ্গে কাজ করতে পারে। Freelancer ও ছোট রপ্তানিকারকদের জন্য নিয়মও সহজ করা হয়েছে।
চতুর্থ উপায় হলো Regulatory Efficiency। AML/CFT নিয়ম মেনেই প্রক্রিয়া দ্রুত ও কম খরচে করা যায়। অপ্রয়োজনীয় ডকুমেন্টেশন কমানো, Digital Proof গ্রহণ এবং Automated Compliance খরচ কমায়। একই সঙ্গে Exchange Rate Transparency নিশ্চিত করতে হবে, যাতে Hidden Fee না থাকে।
চ্যালেঞ্জও আছে। Correspondent Banking Relationship কমে যাওয়া, Currency Volatility এবং Informal Channel-এর আকর্ষণ এখনও বড় বাধা। তবে প্রযুক্তি ও নীতিগত সদিচ্ছা থাকলে খরচ কমানো সম্ভব। গ্লোবাল লক্ষ্য অনুসারে রেমিট্যান্স খরচ ৩ শতাংশের নিচে নামানো উচিত। বাংলাদেশ সেই দিকে এগোচ্ছে, কিন্তু আরও দ্রুত অগ্রগতি প্রয়োজন।
সব মিলিয়ে Cross-border Remittance Cost কমবে Interoperability, প্রতিযোগিতা, Digital Infrastructure এবং দক্ষ রেগুলেশনের মাধ্যমে। এটি শুধু প্রবাসীদের সাশ্রয় নয়—দেশের আনুষ্ঠানিক রেমিট্যান্স প্রবাহও বাড়াবে।
সোর্স: Policy Research Institute, Bangladesh Bank, The Business Standard, World Bank related benchmarks, Industry analyses
#Remittance #CrossBorderPayment #FinTech #BangladeshBank #DigitalRemittance #FinancialInclusion #MFS #PaymentCorridor #CostReduction #ExpatriateFinance





